আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ৬নং খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ তরুন প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে ইউনিয়ন বাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন নাগরপুর ল্যাব এইড ডায়াগণস্টিক এন্ড হাসপাতালের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মানুষের আস্তা ভাজন মো. জামাল উদ্দিন ফারুকী।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট, গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং উঠান বৈঠক শুরু হয়েছে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্বাস্থ্যসেবা সহ জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক সংগঠন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ইউনিয়নের খাষপুখুরিয়া গ্রামের কৃতিসন্তান যুব সমাজ এর আইকন কোদালিয়া পশ্চিম পারা গ্রামে তার বসবাস।
সমর্থকরা তার পক্ষে ভোট প্রার্থনা ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। একজন দক্ষ প্রার্থী হিসেবে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
জামাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, ৬নং ইউনিয়ন পরিষদ ভাসমান প্রায় দু যুগ পেরিয়ে গেছে আজও আলোর মুখ দেখেনি। আমি পরিষদের সঙ্গে যুক্ত থেকে এ অঞ্চলের অবহেলিত মানুষের অধিকার, সুখ-দুঃখ ও নানা সমস্যার কথা তুলে ধরবো এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সেবা বঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাগবে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ সহ সকল সেবা জনগণের দৌড় গড়ায় পৌঁছে দিতে চাই।
উল্লেখ্য নাগরপুর ল্যাবএইড ডায়াগনিষ্টিক এন্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের খুব কাছে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে তিনি জানান এবং বলেন, আগামী ভোটে জনগন আমাকে নির্বাচিত করলে জনগণের প্রতিনিধি হয়ে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন বাসীর সেবা করতে চাই এবং আজীবন মানুষের পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে ৬নং খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সরকারি সব সুযোগ -সুবিধা যেন স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় এবং সেটিই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য আমি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করছি।”
এলাকার স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মো. জামাল উদ্দিন ফারুকী একজন দক্ষ, কর্মঠ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ। গুণীজন, প্রবীণ, কৃষক, শ্রমিক, জেলে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছেও তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হতে চান। বিশেষ করে তরুণ সমাজ তাকে এলাকার ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখছে বলে বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে।