সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পরিবহন ব্যাবসা এখন হুমকির মুখে
প্রতিরোধ করতে অবিলম্বে ওয়াসার বস্তির সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবী
টোকাই রানা ও তার ভাই বেয়াদব রনি ওয়াসার বস্তির সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যাবসায়ী সহ একদল হিংস্র লোক প্রথমে চাদার দাবীতে হুমকি পরে অতর্কিত পূর্ব পরিকল্পনা বা নাশতার উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য সারা টার্মিনালের আতংকিত করতে বড়কোন নাশকতার উদ্দ্যেশ্যে বলাকা পরিবহন মালিক রতন এর উপর নির্মম হামলায় চালায়।
পরিবহন মালিক রতনাম NSU তে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে,
বিএনপি দলের নামভাঙ্গিয়ে সায়দাবাদ বাস টার্মিনালে ওয়াসা বস্তির সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া….প্রশাসনের কিছু অসত অফিসার এবং দলের কিছু নেতাদের মদতে টোকাই রানা এখন কোটিপতি দেখতে সাদাসিদে হলেও ভিতরে ভয়ংকর পশু। টোকাই রানা দেশের আইন ও কোনকিছু তোয়াক্কা করে না -বছরের পর বছর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে বহল তবিয়তে…সরকার বদল হয় নেতা বদল হয় রানার মতন শ্রম ছাড়া শ্রমিক পরিচয়ের লোকেরা নাশতার হোতা।
পুলিশ কেস থাকলে ও অদৃশ্য ভাবে………দোষীরা সহ
টোকাই রানার বিরুদ্ধে হচ্ছেনা কোন মামলা! অভিযোগকারীরা সঠিক বিচারের আশায় হতাশার দিন গুনছে,
কাদের ছত্রছায়া?
বেপরোয়া টোকাই রানা!
শতশত শ্রমিক মালিকের অভিযোগে হচ্ছে না গ্রেফতার
মোয়াজ্জেম হোসেন সরদার সহ তার চেলা.
টোকাই রানা টার্মিনালে বহুবছর ধরে ওয়াসার বস্তির সন্ত্রাসীদের দিয়ে রামরাজত্ব করে কোটিপতি…৫ই আগষ্টের বিএনপি দলের নামভাঙ্গিয়ে কয়েকটি নাশতার উদ্দেশ্য কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি করে তবে..
শতশত মালিক ও শ্রমিক রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলেও রানার নামে পুলিশ নিচ্ছে না মামলা…………………………..
কে এই
টোকাই রানা?
ওয়াসা বস্তির সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ রানা সায়দাবাদ টার্মিনালের একমাত্র আতঙ্ক!
সকলের মতে ৫ই আগষ্টের পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র এখন বস্তির সন্ত্রাসীদের হাতে।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সঠিক তথ্য চিত্র ও তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার সহ দেশের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ বিচার দাবী।