আমি বেড়াতে আসছি চট্টগ্রাম আমার বড় আপার বাসায়, ঢাকা থেকে ৮-১০ দিন হয়ে গেছে চট্টগ্রামে আসলাম ২৭ তারিখ ঠিক রাত ১১ টায় আমাকে সাদা একটা প্রাইভেট কারে ছয় সাত জন অপরিচিত লোক আমাকে জোড়পূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে চোখ বেদে নিয়ে যায়, পতেঙ্গা নদীর পাড়ে। তখন ওখানে সারারাত আমাকে অসহনীয় টর্চারিং করে, হাত-পা বেঁধে সারারাত মারধর করে, এবং তারা আমার কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে, আমি নাকি বিগত ১৫ বছরের অনেক টাকা পয়সা কামাই করছি, আমাকে তারা মেরেফেলার হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ নেন আমার ফ্যামিলি ও আমার আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে জীবন বাঁচাতে কিছু টাকা-পয়সা।
টাকা পয়সা দেওয়ার পরেও আমাকে প্রচন্ড আঘাত করে, হাত পা মুখ বেঁধে ট্রলারে উঠানোর আগে, আমার মোবাইলের সিম কার্ড, গুলো আমার পকেটে দিয়ে ট্রলারে উঠায় মৃতঅবস্হায় পরে মাছ ধরার জেলেরা টর্চ লাইট মেরে দেখে, কিছু লোকজনের আনাগোনা তখন তারা ওখানে হাত পা মুখ বাধা অবস্থায় ফেলে রেখে আমাকে ফেলে দৌড়ে পালায় তক্ষণিক জেলেরা আমাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে।
এবং আমার বিস্তারিত কথা শুনে তখন তারা আমাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করে তারপর ওখান থেকে আমার দুলা ভাইকে ফোন করে এনে, সব কথা বলে আমার সকল চিকিৎসা এবং রেস্টে থাকার জন্য সকল কিছু এরেঞ্জ করেছে।
এখন আমি খুব বিপদে আছি আমি দেশবাসীর কাছে একটাই প্রশ্ন করতে চাই বাংলাদেশ ছাত্রলী, করেছি,এটাই কি আমার অপরাধ, আমি তো কখনো কারো কাছ থেকে
এক টাকা অবৈধভাবে খাইনি, জায়গা দখল করিনি, বাড়ি করিনি, গাড়ি করিনি, সৎ পথে চলার চেষ্টা করেছি, সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত ছিলাম না বেআইনি পথে চলি নাই, পারলে মানুষের উপকার করেছি কখনো কারো কোনো ক্ষতি করি নাই নিজে না খেয়েও মানুষকে খাইয়েছি এই রেকর্ড আমার আছে সারা বাংলাদেশে সবাই আমাকে মানবতার ফিরেওয়ালা হিসেবে চেনেন, কারো সঙ্গে কখনো রাজনৈতিক ধন্দে আমি জড়ায় নাই আমি।
এই মুহূর্তে খুবই বিপদজনক অবস্থায় আছি
এদেশের মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন থাকবে এই সন্ত্রাসীরা আমার উপরে কেন হামলা করল?
কেন টাকা-পয়সা মুক্তিণ দাবী করে আমার টাকা পয়সা নিয়ে হত্যা করতে চেয়েছিলেন,
আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্র ও রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আমার এই দুর্দিনে কোন নেতাকর্মীকে আমি পাশে পাচ্ছি না।
তাহলে কি আমি মরে যাই ভালো ছিল আমার খোঁজ খবর তো কেউ নিচ্ছেন না
আমি কি কারো ক্ষতি করেছি কখনো সবার উপকারে সব সময় আমাকে পাশে পেয়েছেন
সারা বাংলায় অনেকেই জানেন দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে রাজনীতির অপর নাম মৃত্যু হবে
এটা আমি কখনো মেনে নিতে পারছি না আমার বাবা মা ভাই বোন এবং আমার আত্মীয়-স্বজনের দোয়া থাকার কারণে মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে কালকে বাঁচিয়ে নিয়ে এসেছেন।
মাছ শিকাড়ী জেলেদের কারণে এই জেলে ভাইদের কে আমি আমার মা বাবা ও আমার পক্ষ থেকে সারা জীবনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে যাবো।আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।